a
Sorry, no posts matched your criteria.
Image Alt
 • দাঁড়ি  • একটি পারফেক্ট ওয়েট শেভের জন্য চারটি ধাপ

একটি পারফেক্ট ওয়েট শেভের জন্য চারটি ধাপ

আমাদের জন্য যেরকম ট্রিমিং, তেমনি আমাদের বাবা ও দাদাদের জন্য ছিল ওয়েট শেভ। ডিসপোজেবল, মাল্টি ব্লেড শেভ আসার পর এই ওয়েট শেভের চল কমে গেছে। ওয়েট শেভ আপনাকে বাড়তি একটা সুরক্ষা দেবে দেবে এবং এটার লুব্রিকেশন শেভিংয়ের সময় বাড়তি ফ্রিকশন থেকে রক্ষা করবে আপনাকে। একই সঙ্গে কাজ করবে এক্সফোলিয়েটেরও। ওয়েট শেভ কীভাবে করবেন এখানে তার একটা নির্দেশনা দেওয়া হলো।

প্রথম ধাপঃ শেভের জন্য প্রস্তুতি নিন

শেভ শুরু করার প্রস্তুতি নেওয়াটা গুরুত্বপূর্ণ। আপনার মুখটা আগে ধুয়ে ফেলুন, বা একটা হট শাওয়ার নিন। মুখ ধুলে আপনার ত্বক থেকে বাড়তি তেল বা রেজরের জন্য বাধা হতে পারে এমন জমে থাকা ময়লা চলে যাবে। হট শেওয়ার নেওয়ার সময় না থাকলে আপনার মুখ একটা হট টাওয়েল শেভ করার আগে দুই তিন মিনিটের জন্য ঢেকে রাখতে পারেন।

দ্বিতীয় ধাপঃ মুখে ফেনা তৈরি করুন

মুখটা ভালোমতো ধুয়ে ফেলার পর এখন শেভিং ক্রিম বা সাবান ব্যবহার করতে হবে আপনাকে। খেয়াল রাখতে হবে আলমন্ড সাইজ ক্রিম বা সাবান মুখের জন্য যথেষ্ট। প্রথমে বৃত্তাকারে মুখে ক্রিম মাখুন। সেটা হাত দিয়েও মাখতে পারেন। সবচেয়ে ভালো হচ্ছে একটা শেভিং ব্রাশ ব্যবহার করুন, যেটা সারা মুখে একই রকম ফেনা তৈরি করবে এবং ক্রিমও কম ব্যবহার করলেই হবে।

তৃতীয় ধাপঃ সঠিকভাবে শেভ করুন

শেভ করার সময় সঠিক অ্যাঙ্গেলে শেভ করাটা জরুরি। মুখের একপাশ থেকে সেভ করার সময় ৯০ ডিগ্রি অ্যাঙ্গেলে শুরু করুন এবং আপনার হ্যান্ডেলটা ৩০ থেকে ৪৫ ডিগ্রি কোণের মধ্যে রাখুন। আপনার যখন গলার দিকে চেষ্টা করবেন তখন একই কাজটা করে দেখতে পারেন। রেজরের ওপর চাপ দেবেন না, বরং রেজরের ওজনই আপনার কাজটা করে দেবে।

চতুর্থ ধাপঃ আফটার শেভ প্রোটেকশন
শেভিং শেষ হওয়ার পর আপনার মুখ ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন,তাহলে এটা ত্বকের পোরসগুলো বন্ধ করে দেবে। আপনার যদি কোথাও কেটে যায় তাহলে ঠান্ডা তোয়ালে দিয়ে মুখ ঢেকে রাখুন যেন জ্বালাপোড়া না হয়। মুখ ঘষার বদলে আগে এটা শুকাতে দিন। শেষে কিছু আফটারশেভ লোশন নইলে ময়েশ্চারাইজার দিন, যেটা সংক্রমণ থেকে আপনার মুখকে রক্ষা করবে।

এই কাজগুলো করলে ওয়েট শেভের কাজ আপনি খুব ভালোমতো রপ্ত করতে পারবেন।

POST A COMMENT