a
Sorry, no posts matched your criteria.
Image Alt
 • ত্বকের যত্ন  • চেহারা  • কীভাবে রেজর-বার্ন থেকে মুক্তি পাবেন?

কীভাবে রেজর-বার্ন থেকে মুক্তি পাবেন?

সেই প্রাচীনকাল থেকেই শেভিং পুরুষদের ত্বকের যত্নের একটা বড় অংশ। আরও বেশি সুন্দর ও সতেজ দেখানোর জন্য, পুরুষেরা এই কাজটা নিয়মিতই করে থাকে। কিন্তু রেজর থেকে কেটে যাওয়া, জ্বলা, চুলকানি এমন একটা অস্বস্তিকর অবস্থায় আপনাকে ফেলে দিতে পারে, আপনার পুরো দিনটাই হয়তো সেটার জন্য মাটি হয়ে গেল।

তবে আপনার চিন্তা করার কারণ নেই। এই লেখায় এমন কিছু টিপস থাকবে যার ফলে এই শেভের এই শংকাগুলো অনেক কমে যাবে।

ত্বক প্রস্তুত করুন

প্রথমে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে আপনার মুখটা ধুয়ে নিন। একটু গরম পানি একটা তোয়ালেতে ভিজিয়ে আপনার মুখে ৪-৫ মিনিটের জন্য রেখে দিন। যত বেশি সময় আপনি ত্বককে আর্দ্র রাখার জন্য ব্যয় করবেন, আপনার ত্বকে রেজর কাটের সম্ভাবনা অনেক কমে যাবে।

শেভিং ক্রিম ব্যবহার করুন

শেভিং ক্রিম নিয়মিত ব্যবহার না করলে আপনার ত্বকে রেজর পিছলে যেতে পারে, যেটার ফলে কেটে যেতে পারে। শেভিং ক্রিম বা জেল ব্যবহার করলে আপনার রেজর খুব সহজেই ত্বকের ওপর কাজ করতে পারে। যাদের ত্বক বেশি শুকনো তাদের আরও বেশি স্পর্শকাতর শেভিং ক্রিম ব্যবহার করা উচিত।

সঠিক শেভিং টুল বেছে নিন
সঠিক রেজর গ্লাইড বা ব্লেড ব্যবহার করে রেজর বার্ন ও কাট থেকে মুক্তি পেতে পারেন। এমন একটা রেজর ব্যবহার করুন যেটার একাধিক ব্লেড আছে, নরম এবং যেটাকে ভালোভাবে বাঁকানো যায়। তবে আপনার ত্বক যদি একটু বেশি স্পর্শকাতর হয় তাহলে আপনি কম ব্লেডের রেজরের দিকে যেতে পারেন, অনেকটা ক্লাসিক সেফটি রেজরের মতো। রেজর ব্লেড যত বেশি ধারালো হবে, তত আপনার ত্বককে কাটার সম্ভাবনা কমে যাবে।

শেভের পরের কাজ

শেভের পর ত্বক অনেক বেশি স্পর্শকাতর হয়ে যায়। সেজন্য তোয়ালে দিয়ে বেশি জোরে মুখে ঘষবেন না, আর চুলকানি আর র‍্যাশ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য ভালো আফটারশেভ ব্যবহার করুন। বেশি করে পানি পান করুন তাহলে আপনার মুখের ত্বক বেশি শুকিয়ে যাবে না।

রেজরের যত্ন নিন

সবসময় আপনার রেজরের যত্ন নিন, খেয়াল করুন যেন একই ব্লেড বেশিদিন ব্যবহার করা না হয়্। শেভ করার পর গরম পানি দিয়ে রেজর ধুয়ে ফেলুন। এরপর শুকনো কোনো একটা জায়গায় রেজর রেখে দিন। যখন আপনার মনে হবে রেজরটা ভালো কাজ করছে না, ব্লেড বদলে নিন।

স্মার্ট দেখাতে হলে আপনার শেভও স্মার্ট হওয়া চাই। এই সতর্কতা মেনে চললে আপনাকে আরও বেশি সুন্দর ও আত্মবিশ্বাসী দেখাবে, দুশ্চিন্তাও কমে যাবে অনেকখানি।

POST A COMMENT